ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখুন

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখুন,ঢাকা টু কক্সবাজার রুটে এখন ট্রেনে যাওয় আসা অনেক আরাম, এবং কম খরচে দূত যাওয়া যায়।এই জন্য আমাদের ট্রেনের সময় সূচি এবং ভাড়া জানা প্রয়োজন।এই পোষ্টে আমরা ট্রেনের সময় সূচি ও ভাড়ার তালিকা জানবো।কক্সবাজার একটি পর্যটন কেন্দ্র এখানে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ যায়।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার একটি আধুনিক রেল যোগাযোগ রুট এই রুটে প্রতিদিন অনেক মানুষ যাতায়াত করে থাকে।আর পর্যটকদের ভিড়ে প্রতি বছর মুখরিত হয়ে থাকে কক্সবাজার সি বীচ।প্রতি বছর শীতের সময় পর্যটকদের আসা যাওয়া শুরু হয়।এটি বিশ্বের একটি দীর্ঘতম সমূদ্র সৈকত এখানে বিদেশিরা ও আসে সমূদ্র সৈকত উপভোগ করতে।

পেজ সূচিপত্রঃঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখুন

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখুন

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখুন,কক্সবাজার বাংলাদেশের একটি দীর্ঘতম সমূদ্র সৈকত দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি পর্যটন শহর।এখানে শীতের সময় দেশের এবং দেশের বাহির থেকে অনেক মানুষ ভ্রমনের জন্য আসে।এটি পৃথীবির অন্যতম সমূদ্র সৈকত।যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার।


কক্সবাজার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে একটি,এখানে আরো আছে ঝর্ণা,পাহাড়,সুন্দর প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম দৃশ্য যা দেখে মানুষের মন জুড়িয়ে যায়।এখানে মৎস,মতি,পুতি,বার্মিজ,আরো অনেক ধরনের ব্যবসায় বাণিজ্য হয়ে থাকে।এই রকম একটা বিখ্যাত দর্শনীয় স্থানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়া যায় আরাম প্রিয় জার্নি বাংলাদেশ রেল পথ।

ট্রেনের নাম,প্রাম্ভিক স্টেশন, বন্ধের দিন

বর্তমানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার অনেক আরামে যাওয়া যায় রেল পথে ট্রেনে করে।টিকেট থাকে হাতের কাছে মোবাইলে অনলাইনে কাটা যায়।ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে বর্তমানে দুইটি ট্রেন চলাচল করে থাকে।আমরা এখন এই  দুটি ট্রেনের নাম,বন্ধের দিন,এবং কোন স্টেশন থেকে ছাড়ে তা জানবো।

ট্রেনের নাম এবং নাম্বার কোন পথে যাবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
কক্সবাজার এক্সপ্রেস-৮১৪ ঢাকা-কক্সবাজার সোমবার
কক্সবাজার এক্সপ্রেস-৮১৩ কক্সবাজার-ঢাকা মঙ্গলবার
পর্যটন এক্সপ্রেস-৮১৬ ঢাকা-কক্সবাজার রবিবার
পর্যটন এক্সপ্রেস-৮১৫ কক্সবাজার-ঢাকা রবিবার
এই ট্রেন সমূহে আমরা ঢাকা থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজর থেকে ঢাকা আসতে পারবো।যাত্রা পথ দূরের হলেও আরামদায়ক কারন ট্রেনে একটু চলাফেরা করে চা বিরতি দিয়ে যাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেন এর যাত্রা সময়সূচি

ট্রেনে যাতায়াত করতে হলে অবশ্যই ট্রেনের সমসসূচি এবং যাত্রা স্থান জানতে হবে।কারন সময়সূচি না জানলে সময় মত ট্রেনে যাতায়াত করা যাবে না।ট্রেন একটি আরামদায়ক জার্নির জন্য যাতায়াত যানবাহন এতে চলাচল করতে সবাই পছন্দ করে। 
ট্রেনের নাম প্রাম্ভিক স্টেশন ছাড়ার স্টেশন পৌছার সময় গন্তব্য স্থান
কক্সবাজার এক্সপ্রেস-৮১৪ ঢাকা (কমলাপুর) রাত-১০:৩০ সকার-০৬:৪০ কক্সবাজার
পর্যটক এক্সপ্রেস-৮১৬ ঢাকা (কমলাপুর) সকাল-০৬:১৫ বিকেল-০৩:০০ কক্সবাজার
এখানে আমরা দেখলাম ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার সময়সূচি এবং ট্রেন এর নাম কোন ট্রেন কখন যায়।

কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেন এর যাত্রা সময়সূচি

কক্সবাজার থেকে ঢাকা প্রতিদিন অনেক মানুষ যাতায়াত করে থাকে।আগে সরাসরি কোন ট্রেন ছিল না কিন্তু এখন মানুষ কক্সবাজার থেকে আরামে এবং খুব সহজে ঢাকা আসে।
ট্রেনের নাম প্রাম্ভিক স্টেশন ছাড়ার সময় পৌছার সময় গন্তব্য স্থান
কক্সবাজার এক্সপ্রেস-৮১৩ কক্সবাজার দুপুর-১২:৩০ রাত-০৯:১০ কক্সবাজার
পর্যটক এক্সপ্রেস-৮১৫ কক্সবাজার রাত-০৮:০০ ভোর-০৪:৩০ ঢাকা
এখানে আমরা কক্সবাজার থেকে ঢাকা মুখী ট্রেনের সময়সূচি এবং ট্রেনের নাম জানলাম।কারন কোথাও ট্রেনে যেতে হলে এর সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ এই সময় যদি না জানা থাকে তাহলে আপনি সঠিক সময়ে স্টেশনে যেতে পারবেন না।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার আসনের ধরন অনুযায়ী ভাড়ার তালিকা

ঢাকা থেকে কক্সবাজার যদি আপনি ট্রেনে যান, ট্রেন এর ভাড়া জানা আবশ্যক।ট্রেনে আসনের ধরন অনুযায়ী ভাড়া কম বেশি হয়ে থাকে।এখন যার সামার্থ্য যেমন সে আসনের ধরন অনুযায়ী টিকেট কাটবে।একটু ভাড়া বেশি হলে, আরাম একটু বেশি হয়।এখানে কক্সবাজার এক্সপ্রেস এবং পর্যটক এক্সপ্রেস-৮১৫ এর ভাড়া এবং আসন দেওয়া হলো।
আসন ভাড়া
শোভন চেয়ার ৬৯৫ টাকা
স্নিগ্ধা ১৩২৫ টাকা
এসি সিট ১৫৯০ টাকা
এসি বার্থ ২৩৮০ টাক
এখানে ট্রেনের আসন অনুযায়ী কক্সবাজার এক্সপ্রেস এবং পর্যটক এক্সপ্রেস-৮১৫ এর ভাড়া  দেওয়া হলো।এই ভাড়া অনুযায়ী আপনার পছন্দ মত সিটে যেতে পারেন।যারা একটু আরাম প্রিয় এবং আর্থিক অবস্থা ভালো তারা স্নিগ্ধা বা এসি সিটে যেতে পারেন আর সাধারন হলে শোভন চেয়ার আছে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে বিরতি স্টেশনসমূহ

ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে কয়েকটি স্টেশনে ট্রেন থামে এই সময় কিছু মানুষ ট্রেন থেকে চা পানি খাই আবার কেউ একটু চলাফেরা করে।ট্রেন এর যাত্রীদের জন্য বিরতি স্টেশন থাকলে ভালো কারন যে কোন স্টেশনে প্রয়োজনে নামা যায়।বিরতি স্টেশন থাকলে সাধারন যাত্রীদের জন্য সুবিধা অনেকে খাবার সঙ্গে আনে না।এগুলো স্টেশনে নেমে কিছু খাওয়া যায়। চলুন তাহলে দেখা যাক বিরতি স্টেশন সমূহ।এখানে প্রধান প্রধান বিরতি স্টেশন দেওয়া হলো।
  • ঢাকা (কমলাপুর)যাত্রা শুরু
  • ঢাকা বিমান বন্দর
  • চট্রগ্রাম
  • ডোহাজারি
  • কক্সবাজার (গন্তব্য স্থান)
উক্ত বিরতি স্টেশন সমূহে আপনি নেমে চা পানি খেতে পারেন।ট্রেনে যাতায়াত তো এটাই মজা জার্নি করা যায় আবার একটু ঘুাফেরা যায়।তবে একটা দিক খেয়াল রাখতে হবে ট্রেন বেশি সময় বিরতি দেয় না।

কোথায় টিকেট পাবেন, কিভাবে,কখন কাটবেন

এখন ট্রেনের টিকেট কাটা অতি সহজে কাটা যায়।আপনি বাড়িতে বসে ট্রেনের টিকেট কাটতে পারবেন।আবার আপনি সরাসরি রেল স্টেশনে গিয়ে টিকেট  কাটতে পারবেন।ট্রেনে টিকেট কেটে উঠলে ভালো আপনি আরামে যেতে পারবেন।আর না কাটলে ঝামেলা হবে জরিমানা দিতে হতে পারে।এই জন্য ট্রেন জার্নি করতে হলে টিকেট কেটে ট্রেনে উঠবেন।


ট্রেনের টিকেট যখন তখন আপনি পেতে পারেন, আবার না পেতে পারেন।কারন ট্রেনের টিকেট  সিমীত থাকে তাই ট্রেনের টিকেট কাটতে হলে আপনাকে অন্তত ১০ দিন আগে টিকেট কাটতে হবে।তাহলে আপনি টিকেট পাবেন।তবে মোবাইলে কাটলে মোবাইল নেট ফাস্ট থাকতে হবে তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি পাবেন।আবার স্টেশনে গেলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে যেতে হবে।

সতর্কতা অবলম্বন করা কেন প্রয়োজন

বিশেষ করে ট্রেন জার্নিতে খবই সতর্ক থাকা দরকার করন ট্রেনের মধ্যে মাঝে মধ্যে অনেক ভীড় থাকে এতে অনেকের টাকা, মানি ব্যাগ,লাগেজ,মোবাইলসহ অনেক জিনিস চুরি হয়ে যায়। এই জন্য ট্রেনে যাতায়াত করতে খব সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।আবার অপরিচিত লোকের কাছ থেকে কোন জিনিস না খাওয়া ভালো।

আপনি ট্রেনে যান আর বাসে নিজের আসবার পত্র সাবধানে রাখা ভালো।কারন এখানে অনেক সময় আপনার খেয়াল একটু এদিক ওদিক হলে দেখবেন আপনার জিনিস পত্র আর খুজে পাওয়া যাবে না।মোবাইল নিয়ে কখনো ট্রেন বা বাস এর জানালার সামনে বসে ব্যবহার করবেন না।আপনি এখানে ব্যবহার করলে আপনার হাত থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যাবে।

ট্রেন জার্নির সুবিধাসমূহ

ট্রেনে জার্নি করলে বাসের থেকে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।ট্রেনে দূরের যাত্রা হলে বসে এক ঘেমিয়ে হয়ে গেলে আপনি একটু উঠে চলাফেরা করতে পারবেন।বিরতি স্টেশনে নেমে চা কফি,বা হালকা নাস্তা করতে পারবেন।আবার যদি ঘুম লাগে তাহলে ঘুমাতে পারেন। ঘুম থেকে উঠে যদি মনে করেন তাহলে আপনি ফ্রেশ হতে পারেন।

আর একটা কথা হচ্ছে আপনার ঘুমের পর আপনি এখানে একটু সতেজ হওয়ার জন্য ট্রেনে ক্যান্টিন আছে এখানে চা কফি পান করতে পারেন।আবার খিদে লাগলে ভারি খাবার পাবেন।তবে হ্যাঁ এগুলো ক্যান্টিনে দাম একটু বেশি তাই বলে খুব একটা বেশি নয় চলার মত আছে।আর যদি মনে করেন তাহলে আপনি ট্রেন এর বিরতি স্টেশনে নেমে হালকা নাস্তা খেতে পারেন।

ট্রেন জার্নির কিছু অসুুবিধা

ট্রেন জার্নি যেমন সুবিধা আছে তেমনি কিছু অসুবিধা লক্ষ করা যায়।তবে সুবিধা থেকে অসুবিধা কম।ট্রেন ভ্রমনে আপনাকে ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ৫-১০ মিনিট আগে ট্রেনে উঠতে হবে।আবার রেল স্টেশনে আধা ঘন্টা আগে আসলে ভালো।কারন এখানে আপনার কয়েক মিনিট দেরি হলে ট্রেন আপনার জন্য থেমে থাকবে না।নিজের মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে।কারো দেওয়া খাবার খাওয়া যাবে না।খুব সতর্কতার সাথে উঠানামা করতে হবে।যেন দূর্ঘটনার শিকার না হতে হয়।

শেষ কথাঃ ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখুন

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা দেখা হলো,আমরা ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে গমনকারী ট্রেনের সময়সূচি এবং ভাড়ার বিষয় জানতে পারলাম।ট্রেনে চলাচলে অনেক নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়।কারন আপনি সময় না জানলে আপনকে ট্রেন ছেড়ে চলে যাবে।আর ভাড়া না জানলে আপনি টিকেট না কেটে ট্রেনে উঠলে আপনার কাছে বেশি ভাড়া নিতে পারে। পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন। ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন। 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

'https://www.ekralife.com/p/terms.html'

comment url
Md. Golam Rasul
Md. Golam Rasul
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ব্লগ নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ইকরালাইফ হলো একটি তথ্যসমৃদ্ধ ব্লগ যেখানে অনলাইন ইনকাম,লাইফস্টাইল,তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পকির্ত নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।পড়াশুনা অনার্স,মাস্টার্র,(ব্যবস্থাপনা বিভাগ),রাজশাহী কলেজ,রাজশাহী।